সংক্ষেপে
- সুন্দরবন ভ্রমণে “রিসোর্টে” থাকার ধারণা বদলে গেছে: 2026 সালের অক্টোবরে পরিবেশ অধিদপ্তর সুন্দরবন-সংলগ্ন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার 24টি রিসোর্ট ও ইকো-কটেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে — বন-ঘেঁষা কোনো রিসোর্ট বুক করার আগে বর্তমান অবস্থা যাচাই করে নিন।
- সুন্দরবন ঘোরার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্যাটার্ন হলো খুলনা বা মোংলা থেকে 2-3 রাতের লঞ্চ-ট্যুর প্যাকেজ — ঘুম ও খাওয়া লঞ্চেই হয়, দিনে ছোট নৌকায় খাল-খাঁড়ি ঘোরা হয়।
- ট্যুরের আগে-পরে খুলনা শহরে থাকুন: সিটি ইন, ক্যাসল সালাম, টাইগার গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল ও দ্য গ্র্যান্ড প্লেসিড যাচাইকৃত ভালো ঠিকানা (আনুমানিক 2,500–5,000 টাকা প্রতি রাত)।
- সেরা মৌসুম অক্টোবর–মার্চ; বন বিভাগের নিবন্ধিত অপারেটর বেছে নিন, প্যাকেজে কী কী অন্তর্ভুক্ত তা লিখিতভাবে নিন।
সূচিপত্র: জরুরি সতর্কতা | লঞ্চ-ট্যুর প্যাটার্ন | খুলনার হোটেল | মোংলায় থাকা | প্যাকেজ ও খরচ | যাওয়ার উপায় | সেরা সময় | সচরাচর জিজ্ঞাসা
সুন্দরবন (Sundarbans) ভ্রমণের পরিকল্পনা করলেই প্রথম প্রশ্ন — সুন্দরবন রিসোর্ট কোথায় পাবেন, কোথায় থাকবেন? সৎ উত্তরটা একটু ভিন্ন: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনের ভেতরে রাত কাটানোর অনুমতি নেই, আর বনের ধার ঘেঁষে গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলোর বেশিরভাগই 2026 সালের অক্টোবরে পরিবেশ অধিদপ্তরের বন্ধের নির্দেশনার আওতায় পড়েছে। তাই এই গাইডে শুধু রিসোর্টের তালিকা নয় — বাস্তবে কাজ করে এমন থাকার ব্যবস্থা, অর্থাৎ খুলনা ও মোংলার যাচাইকৃত হোটেল এবং লঞ্চ-ট্যুর প্যাকেজ নিয়েই বিস্তারিত লিখলাম।

জরুরি সতর্কতা: 24টি সুন্দরবন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশনা (2026)
2026 সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় সুন্দরবন-সংলগ্ন তিন জেলার 24টি রিসোর্ট ও ইকো-কটেজের কার্যক্রম বন্ধ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগ — প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় (ECA) স্থাপনা নির্মাণ, নির্মাণের সময় গাছ কাটা, আর পয়োবর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা। বন্ধের নির্দেশনা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন থেকে পুরো তালিকা ও প্রেক্ষাপট জেনে নিতে পারেন।
বন্ধের নির্দেশনা পাওয়া 24টি প্রতিষ্ঠান হলো:
- খুলনার দাকোপ উপজেলা (ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকার 18টি): অরণ্যছায়া, অরণ্যবাড়ী, কেওড়াবন, মায়াবন, গহন, দ্য ফরেস্ট রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি, লা সিলভা কটেজ, বনবিবি, সুন্দরী, ইরাবতী, বনমালী, গোলকানন, পিয়ালী, ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস ও বনলতা ইকো কটেজ।
- বাগেরহাট/মোংলা (2টি): টাইগার পয়েন্ট ও বাদাবন।
- সাতক্ষীরা (4টি): বর্ষা রিসোর্ট, সুশীলন রিসোর্ট, ওশান প্যারাডাইস, পরিষদ ও প্রসাদ প্যারাডাইস।
রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন অবশ্য এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নয় — তাদের দাবি, রিসোর্টগুলো বনের ভেতরে নয়, বন-বহির্ভূত জনবসতি এলাকায় ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে গড়ে উঠেছে এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান ও কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যটনকে সমর্থন করে। আইনি অবস্থা এখনো চলমান, তাই এখন বন-ঘেঁষা কোনো রিসোর্ট বুক করার আগে ফোনে তাদের বর্তমান অবস্থা যাচাই করে নেওয়াই নিরাপদ।
সুন্দরবনে থাকার বাস্তব প্যাটার্ন: লঞ্চই আসল ঠিকানা
বনের ভেতরে রাত কাটানোর অনুমতি না থাকায় সুন্দরবন ভ্রমণের প্রচলিত ও নির্ভরযোগ্য প্যাটার্ন হলো খুলনা বা মোংলা থেকে ছাড়া 2-3 রাতের অল-ইনক্লুসিভ লঞ্চ-ট্যুর প্যাকেজ। এই ট্যুরে ঘুম ও খাওয়া — সবই লঞ্চে; দিনে ছোট নৌকায় খাল-খাঁড়িতে ঘোরা হয়, আর করমজল (Karamjal), হারবাড়িয়া (Harbaria), কটকা (Kotka), কচিখালী (Kochikhali) ও হিরণ পয়েন্টের (Hiron Point) মতো স্পটে নেমে বন ঘোরা হয় — সাথে থাকেন সশস্ত্র বনরক্ষী। হিরণ পয়েন্ট নিয়ে আমাদের আলাদা ভ্রমণ গাইড আছে: হিরণ পয়েন্ট: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী দেখার সেরা স্পট।
বাঘ দেখার সম্ভাবনা সত্যি বলতে খুবই কম — তবে চিত্রা হরিণ, বানর, বন্য শূকর, কুমির, গোসাপ ও নানা প্রজাতির পাখি দেখা প্রায় নিশ্চিত। ভোরের খাঁড়িতে নৌকা ভাসানোর অভিজ্ঞতাটাই আসলে সুন্দরবনের আসল প্রাপ্তি।

খুলনা শহরের সেরা হোটেল — সুন্দরবন রিসোর্টের বদলে নিরাপদ বেস
লঞ্চ ছাড়ার আগের রাত বা ফেরার পরের রাত খুলনায় কাটানোই বাস্তবসম্মত। নিচের চারটি হোটেল বুকিং প্ল্যাটফর্মের রিভিউ ও তথ্য যাচাই করে বাছাই করা — সবগুলোই সুন্দরবনগামী পর্যটকদের নিয়মিত পছন্দের ঠিকানা।
1. হোটেল সিটি ইন লিমিটেড (Hotel City Inn Ltd.)
সোনাডাঙ্গা এলাকার 3-তারকা হোটেল; বুকিং সাইটগুলোতে নিয়মিত ভালো রেটিং পাওয়া ঠিকানা। লঞ্চঘাট থেকে যাতায়াত সহজ হওয়ায় সুন্দরবনগামী পর্যটকদের মধ্যে পরিচিত নাম। আনুমানিক ভাড়া: প্রতি রাত 3,000–4,500 টাকা।
2. হোটেল ক্যাসল সালাম (Hotel Castle Salam)
খুলনার আধুনিক হোটেলগুলোর একটি — ছাদের পুল থেকে শহরের দৃশ্য, 24 ঘণ্টা রুম সার্ভিস, পরিবার-উপযোগী পরিবেশ। সুন্দরবন ট্যুরের আগে এক রাতের আরামদায়ক বিরতির জন্য ভালো পছন্দ। আনুমানিক ভাড়া: প্রতি রাত 3,500–5,000 টাকা।
3. টাইগার গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল হোটেল (Tiger Garden Int Hotel)
1 কেডিএ অ্যাভিনিউতে 3-তারকা এই হোটেলে 50টির বেশি রুম, রেস্টুরেন্ট, জিম, ব্যবসা-কেন্দ্র ও ফ্রি পার্কিং। শহরের কেন্দ্রে হওয়ায় কেনাকাটা ও খাওয়ার সুবিধা হাতের নাগালে। আনুমানিক ভাড়া: প্রতি রাত 3,000–4,000 টাকা।
4. দ্য গ্র্যান্ড প্লেসিড (The Grand Placid)
চুকনগর/সোনাডাঙ্গা এলাকার 3.5-তারকা মানের হোটেল — বাজেটের মধ্যে নির্ভরযোগ্য সেবার জন্য বুকিং প্ল্যাটফর্মে পরিচিত। আনুমানিক ভাড়া: প্রতি রাত 2,500–3,500 টাকা।
| হোটেল | মান | আনুমানিক ভাড়া (প্রতি রাত) |
|---|---|---|
| হোটেল সিটি ইন লিমিটেড | 3-তারকা | 3,000–4,500 টাকা |
| হোটেল ক্যাসল সালাম | 3-তারকা | 3,500–5,000 টাকা |
| টাইগার গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল | 3-তারকা | 3,000–4,000 টাকা |
| দ্য গ্র্যান্ড প্লেসিড | 3.5-তারকা | 2,500–3,500 টাকা |
নোট: ভাড়াগুলো আনুমানিক — পিক সিজনে (ডিসেম্বর–জানুয়ারি) বাড়তে পারে। বুকিংয়ের আগে হোটেলের অফিসিয়াল পেজে বর্তমান ভাড়া যাচাই করে নিন।
মোংলায় থাকার ব্যবস্থা
মোংলা (Mongla) সুন্দরবনের সবচেয়ে কাছের শহর — খুলনা থেকে প্রায় 54 কিলোমিটার। এখান থেকে করমজল ও হারবাড়িয়ার দিনভ্রমণ প্যাকেজ ছাড়ে, তাই এক দিনের ট্রিপের পরিকল্পনা থাকলে মোংলায় রাত কাটানো সুবিধাজনক। মোংলায় বড় তারকা হোটেল নেই; মাঝারি মানের হোটেল ও গেস্টহাউসেই থাকতে হয় — বুকিংয়ের আগে সাম্প্রতিক রিভিউ দেখে নিন। মোংলা বন্দর নিয়ে আমাদের আলাদা গাইড আছে: মোংলা বন্দর: বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।

লঞ্চ-ট্যুর প্যাকেজ: খরচ, অপারেটর ও বুকিং
সুন্দরবনের নামকরা ট্যুর অপারেটরদের মধ্যে আছে দ্য গাইড ট্যুরস, বেঙ্গল ট্যুরস ও বাংলাদেশ ইকোট্যুরস — তিনটিরই ঢাকা ও খুলনায় অফিস আছে। তবে সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো বন বিভাগের অফিসিয়াল ইকো-ট্যুরিজম পোর্টালের নিবন্ধিত অপারেটর তালিকা থেকে বেছে নেওয়া।
আনুমানিক খরচ:
- 4 দিনের অল-ইনক্লুসিভ প্যাকেজ: জনপ্রতি 12,000–20,000 টাকা
- মোংলা থেকে দিনভ্রমণ: জনপ্রতি প্রায় 4,000 টাকা; রাত্রিযাপনসহ প্রায় 6,000 টাকা
- প্রবেশ ফি: বাংলাদেশি নাগরিক 1,050 টাকা, বিদেশি নাগরিক 10,500 টাকা (অপারেটরভেদে প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে)
বুকিংয়ের আগে যাচাই করুন:
- প্যাকেজে কী কী অন্তর্ভুক্ত (প্রবেশ ফি, খাবার, গাইড, ছোট নৌকা, পানীয় জল) — লিখিতভাবে নিন।
- শীত মৌসুমে (ডিসেম্বর–জানুয়ারি) কেবিন 2-3 সপ্তাহ আগে বুক করুন — চাহিদা বেশি থাকে।
- গ্রুপে বিদেশি পর্যটক থাকলে প্রবেশ ফির পার্থক্য আগেই হিসাবে ধরুন।
- অচেনা এজেন্টকে অগ্রিম টাকা পাঠাবেন না — অপারেটরের অফিসিয়াল চ্যানেলেই বুক করুন।
কীভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে খুলনা ও মোংলা
ঢাকা থেকে খুলনা সরাসরি বাসে সময় লাগে 6-7 ঘণ্টা; পদ্মা সেতু চালুর পর যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে। বাসের সময়সূচি ও ভাড়ার বিস্তারিত: ঢাকা থেকে খুলনা বাস ভাড়া ও সময়সূচি। সাতক্ষীরা দিক (শ্যামনগর/মুন্সীগঞ্জ) থেকে সুন্দরবনে ঢুকতে চাইলে দেখুন ঢাকা থেকে শ্যামনগর বাসের সময়সূচি ও ভাড়া। খুলনা শহর থেকে মোংলা বাসে প্রায় দেড় ঘণ্টার পথ।

সুন্দরবন ভ্রমণের সেরা সময় ও প্রস্তুতি
অক্টোবর থেকে মার্চ — শুষ্ক মৌসুমে নদী শান্ত থাকে, বন্যপ্রাণী দেখার সম্ভাবনাও বেশি। বর্ষায় অনেক রুট বন্ধ থাকে। সঙ্গে নিন: দূরবীন, টর্চ, মশারোধক, সানস্ক্রিন, শীতে হালকা জ্যাকেট ও পানির বোতল। বনে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকুন — নিজের বর্জ্য নিজে ফিরিয়ে আনুন। সুন্দরবন ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকাভুক্ত — এই মর্যাদা রক্ষায় পর্যটকদেরও দায়িত্ব আছে।
উপকূলের অন্যান্য গন্তব্যে থাকার গাইডও দেখতে পারেন: মেরিন ড্রাইভের সেরা হোটেল ও রিসোর্ট।

সচরাচর জিজ্ঞাসা
সুন্দরবনের ভেতরে কি রিসোর্টে থাকা যায়?
না — সুন্দরবনের ভেতরে রাত কাটানোর অনুমতি নেই। পর্যটকরা হয় লঞ্চ-ট্যুর প্যাকেজে লঞ্চেই থাকেন, নয়তো বন-বহির্ভূত এলাকার হোটেল বা রিসোর্টে রাত কাটান। বনের ধার ঘেঁষে গড়ে ওঠা অনেক রিসোর্ট 2026 সালের অক্টোবরে পরিবেশ অধিদপ্তরের বন্ধের নির্দেশনার আওতায় পড়েছে, তাই বুকিংয়ের আগে বর্তমান অবস্থা যাচাই করা জরুরি।
2026 সালে সুন্দরবনের রিসোর্টগুলো বন্ধের নির্দেশনা পেল কেন?
প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় (ECA) স্থাপনা নির্মাণ, নির্মাণের সময় গাছ কাটা এবং নদীতে পয়োবর্জ্য ফেলার অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার 24টি রিসোর্ট ও ইকো-কটেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন অবশ্য এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নয় — তাদের দাবি, রিসোর্টগুলো বনের ভেতরে নয়, বন-বহির্ভূত জনবসতি এলাকায় গড়ে উঠেছে।
সুন্দরবন ভ্রমণে জনপ্রতি খরচ কত?
মোংলা থেকে দিনভ্রমণ প্যাকেজ জনপ্রতি প্রায় 4,000 টাকা থেকে শুরু; 3-4 দিনের অল-ইনক্লুসিভ লঞ্চ-ট্যুর প্যাকেজে জনপ্রতি 12,000–20,000 টাকা লাগতে পারে (আনুমানিক)। এর সাথে খুলনায় হোটেলে এক-দুই রাতের খরচ (আনুমানিক 2,500–5,000 টাকা প্রতি রাত) যোগ হবে। মৌসুম ও অপারেটরভেদে খরচ বদলায়।
সুন্দরবনে প্রবেশ ফি কত?
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রবেশ ফি 1,050 টাকা, বিদেশি নাগরিকদের জন্য 10,500 টাকা (আনুমানিক)। অনেক অপারেটরের প্যাকেজে এই ফি অন্তর্ভুক্ত থাকে — বুকিংয়ের সময় লিখিতভাবে নিশ্চিত করে নিন।
সুন্দরবন ভ্রমণের সেরা সময় কখন?
অক্টোবর থেকে মার্চ — শুষ্ক মৌসুমে নদী শান্ত থাকে এবং বন্যপ্রাণী দেখার সম্ভাবনা বেশি। ডিসেম্বর–জানুয়ারিতে পর্যটকের চাপ সবচেয়ে বেশি, তাই লঞ্চের কেবিন ও খুলনার হোটেল 2-3 সপ্তাহ আগে বুক করে রাখুন। বর্ষায় অনেক রুট বন্ধ থাকে।
সুন্দরবনে বাঘ দেখার সম্ভাবনা কতটুকু?
সত্যি বলতে বাঘ দেখার সম্ভাবনা খুবই কম — বাঘ লাজুক ও গভীর বনে থাকে। তবে চিত্রা হরিণ, বানর, বন্য শূকর, কুমির, গোসাপ ও নানা প্রজাতির পাখি দেখা প্রায় নিশ্চিত। ভোরে খাঁড়িতে নৌকা ভ্রমণ ও বাঘের পায়ের ছাপ দেখাই বেশিরভাগ পর্যটকের প্রাপ্তি।
