সংক্ষেপে জানুন
- ঢাকা থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচি অনুযায়ী এই রুটে ৩টি আন্তঃনগর ট্রেন চলে — জাহানাবাদ, সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেস।
- সবচেয়ে দ্রুত জাহানাবাদ এক্সপ্রেস — পদ্মা সেতু হয়ে মাত্র ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটে খুলনা।
- সকালে সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৮:১৫), রাতে চিত্রা এক্সপ্রেস (৭:০০) ও জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (৮:০০)।
- ভাড়া (আনুমানিক): শোভন চেয়ার ৪৪৫–৬৩০ টাকা, স্নিগ্ধা ৭৪০–১,১৯৬ টাকা, এসি বার্থ ১,৩৩০–২,১৬৮ টাকা।
- অনলাইন বুকিং: eticket.railway.gov.bd — যাত্রার ১০ দিন আগে পর্যন্ত।
সূচিপত্র
ঢাকা থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচি
ঢাকা (কমলাপুর) থেকে খুলনা রুটে বর্তমানে ৩টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে:
| ট্রেনের নাম (নম্বর) | ঢাকা ছাড়ে | খুলনা পৌঁছায় | যাত্রা সময় | সাপ্তাহিক বন্ধ |
|---|---|---|---|---|
| সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) | সকাল ৮:১৫ | বিকাল ৫:১০ | ~৯ ঘণ্টা | বুধবার |
| চিত্রা এক্সপ্রেস (৭৬৪) | সন্ধ্যা ৭:০০ | রাত ৩:৪০ | ~৮.৫ ঘণ্টা | সোমবার |
| জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (৮২৬) | রাত ৮:০০ | রাত ১১:৪৫ | ৩ ঘণ্টা ৪৫ মি. | সোমবার |

কোন ট্রেন কাদের জন্য?
- দ্রুত যেতে চাইলে: জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (৮২৬) — পদ্মা সেতু হয়ে মাত্র ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। রাত ৮টায় ছেড়ে ১১:৪৫-এ খুলনা।
- দিনের আলোয় ভ্রমণ: সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) — সকাল ৮:১৫-এ ছেড়ে বিকালে পৌঁছায়। জানালা দিয়ে গ্রামবাংলা দেখা যায়।
- রাতের যাত্রা: চিত্রা এক্সপ্রেস (৭৬৪) — সন্ধ্যায় ছেড়ে গভীর রাতে খুলনা। বার্থে ঘুমিয়ে যাওয়া যায়।
ঢাকা-খুলনা ট্রেনের টিকিটের মূল্য
শ্রেণিভেদে আনুমানিক ভাড়া (ট্রেন ও সিটভেদে বদলায় — বুকিংয়ের সময় যাচাই করুন):
| আসন শ্রেণি | ভাড়া (আনুমানিক) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৪৪৫–৬৩০ টাকা |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ৭৪০–১,১৯৬ টাকা |
| এসি সিট | ৮৮৫–১,৪৩২ টাকা |
| এসি বার্থ | ১,৩৩০–২,১৬৮ টাকা |
অনলাইনে টিকিট বুকিং করবেন যেভাবে
- eticket.railway.gov.bd সাইটে মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন।
- From: Dhaka, To: Khulna, তারিখ ও শ্রেণি বেছে ট্রেন সিলেক্ট করুন।
- বিকাশ/নগদ/কার্ডে পেমেন্ট করে ই-টিকিট সংরক্ষণ করুন।
যাত্রার ১০ দিন আগে পর্যন্ত বুকিং করা যায়। জাহানাবাদ এক্সপ্রেসের টিকিট দ্রুত শেষ হয় — আগে কাটুন।
ভ্রমণ টিপস
- পদ্মা সেতু রুটে (জাহানাবাদ) যাত্রা অনেক দ্রুত — সময় বাঁচাতে এটাই সেরা।
- খুলনা থেকে সুন্দরবন যেতে চাইলে সকালে পৌঁছানোই সুবিধাজনক — সুন্দরবন এক্সপ্রেস নিন।
- রাতের ট্রেনে মূল্যবান জিনিস সাবধানে রাখুন।
- কমলাপুর থেকে যাত্রার ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছান।
অন্যান্য রুট: ঢাকা-রাজশাহী ট্রেন, ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী। ভ্রমণ: সেরা ১৫টি স্থান।
টিকিট: রেলওয়ে ই-টিকিট | বাংলাদেশ রেলওয়ে
ঢাকা থেকে খুলনা যেতে ট্রেনে কতক্ষণ লাগে?
জাহানাবাদ এক্সপ্রেসে মাত্র ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট (পদ্মা সেতু হয়ে)। সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেসে ৮–৯ ঘণ্টা লাগে।
ঢাকা-খুলনা রুটে কয়টি ট্রেন চলে?
৩টি আন্তঃনগর ট্রেন — সুন্দরবন এক্সপ্রেস (সকাল), চিত্রা এক্সপ্রেস (সন্ধ্যা) ও জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (রাত)।
সবচেয়ে দ্রুত কোন ট্রেন?
জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (৮২৬) — পদ্মা সেতু হয়ে মাত্র ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটে খুলনা পৌঁছায়।
ঢাকা থেকে খুলনা ট্রেনের ভাড়া কত?
শোভন চেয়ারে আনুমানিক ৪৪৫–৬৩০ টাকা থেকে শুরু, এসি বার্থে আনুমানিক ২,১৬৮ টাকা পর্যন্ত।
অনলাইনে টিকিট কাটা যায়?
হ্যাঁ, eticket.railway.gov.bd থেকে যাত্রার ১০ দিন আগে পর্যন্ত অনলাইনে বুকিং করা যায়।
সোমবারে কোন ট্রেন চলবে?
সোমবার চিত্রা ও জাহানাবাদ এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে। ওইদিন সুন্দরবন এক্সপ্রেস (সকাল ৮:১৫) চলবে, তবে বুধবার সুন্দরবন বন্ধ।
