⚠️ জরুরি নোট: এটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার এলাকা — নির্ধারিত সময় ও নিয়ম মেনে ঘুরুন। টিকিট মূল্য বদলাতে পারে।
সংক্ষেপে জানুন
- মহেড়া জমিদার বাড়ি — টাঙ্গাইলের মহেড়ায়, ১৯ শতকের জমিদার প্রাসাদ।
- নির্মাতা: কালীচরণ সাহা ও আনন্দ সাহা (১৮৯০-এর দশক)।
- স্থাপত্য: ইউরোপীয়, গ্রিক, রোমান, মুঘল ধাঁচের মিশ্রণ।
- টিকিট: ১০০ টাকা (৫ বছরের ঊর্ধ্বে)।
- বর্তমানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি)।
সূচিপত্র
ইতিহাস
১৮৯০-এর দশকে সাহা ভ্রাতৃদ্বয় কালীচরণ সাহা ও আনন্দ সাহা এই জমিদার বাড়ি নির্মাণ করেন। চৌধুরী লজ, আনন্দ লজ, মহারাজ লজ ও কালীচরণ লজ — প্রতিটি ভবনেই আলাদা স্থাপত্যশৈলী। জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর এটি সরকারের হাতে আসে এবং বর্তমানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
কী কী দেখবেন
- প্রাসাদসমূহ: চৌধুরী লজ, আনন্দ লজ, মহারাজ লজ, কালীচরণ লজ।
- বিশাখা সাগর: প্রাসাদের সামনের বড় পুকুর।
- বাগান ও মিনি চিড়িয়াখানা।
- শিশু পার্ক: রাইড আলাদা টিকিটে।
- জাদুঘর: জমিদারি আমলের নিদর্শন।
পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার হওয়ায় এলাকা পরিষ্কার ও নিরাপদ। কিছু অংশে প্রবেশ নিষেধ — সাইনবোর্ড দেখে চলুন।
টিকিট ও সময়
- টিকিট: ১০০ টাকা (৫ বছরের ঊর্ধ্বে)।
- সপ্তাহের কর্মদিবস: দুপুর ৩:৩০ পর্যন্ত।
- ছুটির দিন: সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
- ভেতরে খাবারের দোকান আছে।
ঢাকা থেকে যাওয়ার উপায়
- মহাখালী থেকে টাঙ্গাইলের বাস (~২০০–২৫০ টাকা)।
- টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড়া থেকে সিএনজিতে মহেড়া (~৪ কিমি)।
- প্রাইভেট গাড়িতে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক ধরে ~২ ঘণ্টা।
টাঙ্গাইলের আরো: ঢাকা–টাঙ্গাইল ট্রেন। সারাদেশের সেরা গন্তব্য: সেরা ১৫টি ভ্রমণ স্থান।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মহেড়া জমিদার বাড়ি কোথায়?
টাঙ্গাইলের মহেড়ায় — ঢাকা থেকে ~৭০ কিমি।
কে নির্মাণ করেন?
১৮৯০-এর দশকে কালীচরণ সাহা ও আনন্দ সাহা।
টিকিট কত?
১০০ টাকা (৫ বছরের ঊর্ধ্বে)।
কখন খোলা থাকে?
কর্মদিবসে দুপুর ৩:৩০, ছুটির দিনে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
এখন কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি)।
পরিবার নিয়ে যাওয়া যায়?
অবশ্যই — শিশু পার্ক ও পিকনিকের ব্যবস্থা আছে।
